হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: মধ্য আমেরিকার কোসটারিকার এক কারাগারে কয়েদিদের মোবাইল সরবরাহের অভিযোগে কারা পুলিশ এক প্রশিক্ষিত বিড়াল গ্রেফতার করেছে।
দ্য এক্সপ্রেস নিউজের খবরে বলা হয়েছে, কোসটারিকার কারাগারে ভয়ংকর বন্দিরা জেলের বাইরে থাকা তাদের দলের লোকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য এ বিরল পদ্ধতি গ্রহণ করে।
কয়েদিদের দলের লোকেরা একটি উন্নত জাতের বিড়ালকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়। পরে বিড়াল একদিন পাহারাদারদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কারাভ্যন্তরে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে গিয়ে একটি মোবাইল ফোন পৌঁছে দেয়।
কারা প্রশাসন জানিয়েছে, বহু দিন অনুসন্ধানের পর কয়েদিদের কাছে মোবাইল পৌঁছানোর এই গোপন পদ্ধতি ধরা পড়ে পুলিশের কাছে। এ কাজে ব্যবহৃত বিড়ালটিকে তারা আটক করতে সক্ষম হয়েছে। কারা ফটকের সিসি ক্যােমেরার ফুটেজে দেখা যায় একটি বিড়াল তার পেটের নিচে কিছু একটা বহন করে নিয়ে যাচ্ছে।
আর নয় ঘাড় ব্যথা; এলো হিজামা (কাপিং থেরাপি)
পরে অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, বাইরের কিছু মানুষ দীর্ঘ দিন বিড়ালটিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তার বিড়ালের পেট ও গলার নিচের দিকে একটি ছোট মোবাইল সেট, চার্জার সুক্ষ্মভাবে লাগিয়ে দিত। আর বিড়াল অত্যন্ত দক্ষাতার সাথেই সে মোবাইল নির্দিশষ্ট কয়েদির হাতে পৌঁছৈ দিত।
সর্বশেষ যখন সন্দেহের বশে বিড়ালটি আটক করে অুসন্ধান করা হয় তখন ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচিত হয়।
এক্সপ্রেস নিউজ থেকে হাওলাদার জহিরুল ইসলাম এর অনুবাদ
আরআর