শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ।। ৬ আশ্বিন ১৪৩১ ।। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম :
বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখনো বিপদমুক্ত নয় : তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন সেক্টরে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে পরাজিত শক্তি: চরমোনাই পীর ‘শিক্ষা কমিশনে দেশের সর্বমহলে শ্রদ্ধেয় আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে’ আলমডাঙ্গায় রাসূল (সা.)-কে নিবেদিত কবিতা পাঠ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি বর্ষণকারী শাহবাগ থানা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতার পার্বত্য জেলায় চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে যা জানাল আইএসপিআর ঢাবিতে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক : ইসলামী ছাত্র আন্দোলন স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না: সৌদি যুবরাজ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারলে দায় বর্তাবে ইহুদিদের ওপর: ট্রাম্প পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকার, সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

একটি ভিত্তিহীন ঘটনা: মুসা আ.-এর সঙ্গে আবেদ ও পাগলের কাহিনী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মূসা আ. ‘কালীমুল্লাহ’ (যিনি দুনিয়াতে আল্লাহর সাথে কথা বলেছেন) হওয়ায় মূসা আ. ও আল্লাহর কথোপকথন শিরোনামে সমাজে অনেক বানোয়াট কিসসা প্রচলিত হয়েছে। একটি কিসসা হল-

একবার মূসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর সাথে কথোপকথনের জন্য যাচ্ছিলেন। পথে আবেদের সাথে দেখা হলে সে বলল, আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবেন, আমার জন্য আল্লাহ কোন্ জান্নাত প্রস্তুত রেখেছেন? তারপর দেখা হল, এক পাগলের সাথে। সে বলল, আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবেন, আমি কি জাহান্নামে যাব?

আল্লাহকে জিজ্ঞেস করলে আল্লাহ বললেন, আবেদ জাহান্নামে যাবে আর পাগল জান্নাতে যাবে। মূসা আ. বিষয়টি বুঝতে পারলেন না। ফেরার সময় পথিমধ্যে দেখলেন, এক রাখালকে বাঘ তাড়া করেছে তখন রাখাল দৌড়াতে দৌড়াতে একটি বদনার মধ্যে প্রবেশ করল এবং বদনার নল দিয়ে বের হয়ে গেল। তা দেখে বাঘও বদনার মধ্যে প্রবেশ করে কিন্তু সে আর নল দিয়ে বের হতে পারে না।

এরপর পাগলের সাথে দেখা হলে মূসা আ. পাগলকে এ ঘটনা বললেন, তখন পাগল তা বিশ্বাস করল এবং বলল, আল্লাহ চাইলে সবই সম্ভব। তারপর আবেদের সাথে দেখা হলে আবেদকেও মূসা আ. ঐ ঘটনা বললেন। কিন্তু আবেদ তা বিশ্বাস করল না; সে বলল, এমনটি সম্ভব না। এবার মূসা আ. বুঝতে পারলেন- কেন আল্লাহ বলেছেন, আবেদ জাহান্নামে যাবে আর পাগল জান্নাতে যাবে। কারণ, পাগল নবীর কথা বিশ্বাস করেছে, আবেদ করেনি।

নবীর কথা বিশ্বাস করা-না করার বিষয়টি সামনে আনতে এ কিসসার অবতারণা করা হয়। কিন্তু তা একটি বানোয়াট কিসসা।

নবীর কথা বিশ্বাস করা ঈমানের অপরিহার্য অংশ। এটা স্বতঃসিদ্ধ বিষয়। নবীগণ হক এবং তাঁরা সবসময় সত্য বলেন। নবীর দেয়া দৃশ্য-অদৃশ্য সকল খবরই বিশ্বাস করা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে, নবীর নামে যে যা-ই বলবে, শুদ্ধাশুদ্ধি যাচাই করা ছাড়াই মানুষকে তা বিশ্বাস করতে হবে। তেমনি নবীর কথা বিশ্বাস করা-না করার বিষয়টি সামনে আনার জন্য এজাতীয় বানোয়াট কিসসার অবতারণা করার প্রয়োজন নেই; ইসলামে বিষয়টি স্বতঃসিদ্ধ এবং কুরআন-হাদীসে বিষয়টি স্পষ্টরূপে বিবৃত হয়েছে। সূত্রে- মাসিক আল কাউসার।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ