মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪ ।। ১১ অগ্রহায়ণ ১৪৩১ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম :
চক্রান্তের ফাঁদে না পড়ে সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণের আহ্বান শায়খ আহমাদুল্লাহর ভোলায় জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও স্মরণসভা চরমোনাইর বার্ষিক অগ্রহায়ণ মাহফিল বুধবার, চলছে সর্বশেষ প্রস্তুতি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান আসিফ মাহমুদের অসহায় শীতার্তের পাশে মাওলানা গাজী ইয়াকুবের তাকওয়া ফাউন্ডেশন দেশের তিন জেলায় শিক্ষক নিচ্ছে ‘আলোকিত মক্তব’ বৃদ্ধার দাড়ি টেনে ছিঁড়ে ফেলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবন্ধীদের ধর্মীয় ও কারিগরি শিক্ষা দিতে পারলে দেশ এগিয়ে যাবে: ধর্ম উপদেষ্টা ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না: মাওলানা আরশাদ মাদানী গওহরডাঙ্গা মাদরাসার ৮৯তম মাহফিল শুরু আগামীকাল

৩ খুনীকে ধরিয়ে দিলেও গ্রেফতার করেনি ধর্মপাশা থানার পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : গত ডিসেম্বরে খুন হন নেত্রকোণার ধর্মপাশার জামালগঞ্জ কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তৌহিদ জুয়েল। এ খুনের মামলার আসামীদের পক্ষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ধর্মপাশা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে।

নিহত ব্যক্তির ভাই সিলেট  মদনমোহন কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ সুয়েবুর রহমান সুনামগঞ্জ জেলা সুপারের কাছে দেয়া এক অভিযোগপত্রে লেখেন,  গত ৫ নভেম্বর ধর্মপাশা থানায় নিহত জুয়েলের প্রাণ নাশের হুমকি ছিল বলে সাধারণ ডায়রী করেন। ডায়রীভুক্ত হওয়ার ২৫ দিনের মধ্যে আমার ভাই ডায়রীভুক্ত খুনি চক্রের হাতে নির্মম ভাবে খুন হয়।

তিনি লেখেন, ওইদিন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার চিরাম গ্রামের লােকজন ৩ খুনীকে আটক করে ধর্মপাশা পুলিশের হাতে সােপর্দ করে কিন্তু ধর্মপাশা থানার পুলিশ এ পর্যন্ত কোন আসামীর গ্রেফতার দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।

অভিযোগপত্রে মোহাম্মদ সুয়েবুর রহমান আরো লেখেন, আমি বারবার পুলিশ কর্মকর্তাকে অভিযােগ করে আসছি যে, খুনের সাথে জড়িত আরাে অনেক নারী পুরুষ ছিল, তাদেরকে তদন্তের মাধ্যমে মামলায় এজাহারভুক্ত করা হোক। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত অফিসার সফিক মামলার তদন্ত না করে আমাকে, আমার পরিবার ও মামলার স্বাক্ষীদেরকে হুমকি দিয়ে আসছে।

তিনি লেখেন, গত ৬ জুন ছাত্র শিক্ষক ও সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজারে আসামীদের গ্রেফতারের জন্য মানববন্ধন চলাকালে (তদন্ত অফিসার) আমাকে হুমকি দিয়ে যায় মানব বন্ধন করলে মামলা উল্টা চালাবাে, চার্জশীট করব এবং তার কথামতো লাইনে আসার জন্য বলে যায় ।

‘ধর্মপাশা থানা অপরাধ জগতের এক অভয়াশ্রমে পরিনত হয়, এখানে মদ, জুয়া, মাদক এবং বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাসহ একদল দালাল চক্রের মাধ্যমে ওসি সিন্ডিকেট গড়ে তােলে। এই অপরাধ জগতের গডফাদার সুরঞ্জিত তালুকদার, যা প্রতিদিনই বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় অপরাধের খবর প্রকাশিত হয় কিন্তু ওসি এগুলাে পরােয়া না করে বিভিন্ন অপরাধী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তার কারণে আমার ভাইয়ের ন্যায় বিচার পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’

তিনি অভিযোগপত্রে দাবি জানান, বর্তমানে আমি, আমার পরিবার এবং স্বাক্ষীদের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। আমি উক্ত মামলার বাদী হিসেবে উক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে বার বার তাগিদ দিয়েও কোন ফল পাইনি, তাই আমি নিরুপায় হয়ে আপনার স্মরণাপন্ন হলাম। মামলার সুষ্ঠু বিচারের স্বার্থে এই অসৎ, দূর্নীতিপরায়ণ পুলিশ কর্মকর্তা সুরঞ্জিত তালুকদারকে ধর্মপাশা থানা থেকে অপসারণ করার জন্য অনুরােধ জানাচ্ছি।

‘অল্পকিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকিগুলোতে তাখাচ্ছুছের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে’

এসএস


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ