আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি নথি গায়েবের ঘটনায় তদন্তে নেমেছে ক্রাইম সিন ইউনিট। এরই মধ্যে আলামতও সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিভাগীয় সচিব আলী নূর বলেছেন, হারিয়ে যাওয়া ফাইলগুলো তেমন গোপনীয় নয়, তবে ফাইল হারিয়ে যাওয়াটাই বড় বিষয়।
রোববার (৩১ অক্টোবর) ক্রাইম সিন ইউনিটের তদন্ত শুরুর দিন নিজ দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
কী ধরণের ফাইল ছিল জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘এগুলো ক্রয় সংক্রান্ত। এগুলো তেমন গোপনের কিছু নেই। প্রত্যেকটা ফাইলের তথ্য আমাদের অন্যান্য বিভাগেও আছে, আমাদের কম্পিউটারেও আছে, আমাদের ডিজি অফিসগুলোতেও আছে। এটা নিয়ে তেমন সমস্যা না, কিন্তু মূল বিষয়টা হচ্ছে ফাইল মিসিং হওয়াটা। এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় বিষয়। এটিই উদ্ধারের চেষ্টা করছি।’
নথি গায়েবের ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের কাউকে সন্দেহ করেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘সন্দেহের বিষয়টা তো এখন বলাটা কঠিন। কারণ, আমরা তো সত্যিকারভাবেই আসলে জানি না, কে এই কাজটি করেছে। আমি তো মনে করি যে, আমরা সবাই সন্দেহের মধ্যেই আছি। আমরা পুলিশকে সেভাবেই বলেছি, আপনারা সবাইকেই ইনক্লুড করবেন, যাতে আমরা তথ্যটা জানতে পারি, উদ্ধার করতে পারি।’
সচিব বলেন, ‘বৃহস্পতিবার একটা লকারের একটা ড্রয়ার থেকে কিছু ফাইল মিসিং হয়েছে, এটা জানার পরে আমরা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের অফিসারদের সেখানে পাঠাই। পরে আমরা নিশ্চিত হলাম যে, মিসিং হয়েছে। এটা শোনার পর আমি স্পটে গিয়েছি। আমাদের অতিরিক্ত সচিবরা আমার সঙ্গে ছিলেন। ’
আলী নূর বলেন, ‘ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার পর আমি পুলিশকে খবর দিলাম। এডিসিসহ আরও দুজন কর্মকর্তা আমাদের এখানে আসছেন। তারা বিষয়গুলো দেখেছেন। দেখার পর আমি তাৎক্ষণিকভাবে মন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করি, ক্যাবিনেট সচিব মহোদয়কে অবহিত করি এবং পুলিশকে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’
এনটি