199025

বাবরি মসজিদ নিয়ে আদালতের এমন সিদ্ধান্তে জনগণের আস্থা থাকবে?

আবদুল্লাহ তামিম।।

সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ভারতের অযোধ্যায় অবস্থিত বাবরি মসজিদ বিষয়ে সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ এর সভাপতি আল্লামা সৈয়দ আরশাদ মাদানী বলেন, ৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদকে যারা শহিদ করেছে তাদের বেকসুর খালাস করে দিলো। বিশ্বের কাছে তারা কিভাবে মুখ দেখাবে।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আল্লামা আরশাদ মাদানী বলেন, আমি পেরেশান হয়ে যাচ্ছি। এগুলো কী ধরনের সিদ্ধান্ত আদালতের। বিশ্ববাসী দেখেছে তারা আল্লাহর ঘরকে কিভাবে অপমান করেছিল। মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিলো।

৯ নভেম্বর ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ বাবরি মসজিদ-রাম জন্মভূমির সম্পত্তির মালিকানার বিষয়ে রায় দেওয়ার সময় স্বীকার করে নিয়েছিল যে বাবরি মসজিদটি কোনও মন্দির ভেঙে দিয়ে নির্মিত হয়নি, সুতরাং বাবরি মসজিদের ভিতরে একটি প্রতিমা স্থাপন করা এবং পরে এটি ধ্বংস করা একটি অপরাধমূলক কাজ হিসাবে বিবেচিত হয়েছিল। আরও বলা হয়েছিল যে, যারা এই কাজটি করেছে তারাও দোষী।

এখন প্রশ্ন হলো বাবরি মসজিদ যখন শহিদ করা হয়েছিল, সিবিআই তাদের কে দোষীও সাব্যস্ত করলো। এখন আবার সেই সিবিআইয়ের চোখেই তারা নির্দোষ হয়ে গেরো কী করে? এটা কি ন্যায়বিচার নাকি ন্যায়বিচারের নামে প্রহসন? সিবিআই আদালতে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলে পাড় পেয়ে গেলো। দোষীরা সম্মানজনকভাবে খালাস পেয়ে গেলো। আমি বিস্মিত হচ্ছি। একটা দেশে এটা কী করে সম্ভব। এর ব্যাখ্যা কী হতে পারে? এর দ্বারা কী বোঝাতে চাচ্ছে তারা? এই সিদ্ধান্তে আদালতের প্রতি জনগণের আস্থা হারিয়ে যাবে না?

-এটি

ads